Welcome to my world

welcome everybody. please discover yourself with me

Wednesday, March 24, 2010

একটি কাল্পনিক প্রেমপত্র


একটি কাল্পনিক প্রেমপত্র 


(একটি ছেলে এক স্যোসাল নেটওয়াকিং সাইটে এক মেয়ের প্রেমে পরে, আজকালকার ফাস্ট লাইফ প্রেম আর কি। লেখক হিসাবে এক অসম্ভব ঘটনা কে কতগুলো কাল্পনিক চরিত্রের মাধ্যমে প্রকাশ করতে চেয়েছি। দয়া করে এটা আমার পারসোনাল ভাববেন না। স্রেফ একটা আঙ্গিক থেকে ভেবে লিখেছি, মানে এমন হলে কেমন হত এই জাতীয় বাল ছাল চিন্তা কার কি? কেমন হল জানাবেন। আপনাদের সবার উৎসাহই আমাকে লেখার অনুপ্রেরনা গুলো জোগায় জাতে আমি আপনাদের আরো ট্র্যাশ কবিতা বা গল্প লিখে জালাতে পারি।)


প্রিয় তরী,

প্রথমেই লুকোছাপা না রেখেই বলছি এটাকে যদি প্রেমপত্র ভাবতে চাও তো ভেব নইলে এটাকে একটা কনফেসান হিসাবে ভেবে নিয়ে পড়ো, কিন্তু দোহাই তোমার মাথা গরম করে মেইল এর স্প্যাম বা ডিলিট বাটনটা টেপার আগে একটু ভেব একটা চিঠি পড়লে কি
তোমার খুব খুব খুব ক্ষতি হবে?তুমি এই চিঠিটা পড়ে আমার সরলতা/পাগলামোর প্রতি হা হা করে হাসতে পারো অথবা আমার নীচতা,শঠতা,চাতুরতায় তুমি রেগে জেতে পারো কিংবা কন্যাভ্রুন হত্যায় আত্মতুস্ট ভারতবষের ৯৩৮:১০০০ রেশিওর জন্য নিজের প্রতি গর্ব অনুভব করতে পারো কিন্তু দোহাই তোমার চিঠিটা পড়ো অন্তত, আপাত দৃস্টিতে এই ছোট কিন্তু বিশাল মাপের একটা অনুরোধ না করে হয়ত আর উপায় ছিল না।

গত কয়েক সপ্তাহ ধরে অরকুটে আমার প্রতীক্ষায় তোমার কোন সাড়া না পেয়ে এ্কটা হঠকারী সিদ্ধান্ত আর নিজের বশে না থাকা পা্লামোর ঝোঁকে এই চিঠিটা লিখছি একটু পড়ো প্লিস কারন আজকালকার দিনে এইরকম একটা চিঠি পড়ার সৌভাগ্য বা দূর্ভাগ্য কজনেরই বা হয়? এই হঠকারী সিদ্ধান্ত নেবার কারনটা কিন্তু খুব ছোট্ট বারবার তোমার বন্ধুত্ব (যদিও এটা আসল উদ্দেশ্য কোনকালেই ছিল না) এর হাতছানি কেটে জাবার হতাশা।

কোন রাখঢাক না রেখে সোজাসুজিই বলছি আমি একটা ভুল করে ফেলেছি, আমি তোমার প্রেমে পড়ে গেছি। বিস্বা্ষ করো আমার এই প্রেমটা বাজারচলতি প্রেমের মত নয় যেখানে প্রেমিক-প্রেমিকা রোজ দিনে রাতে ফোন করবে, মাঝে মাঝে ঘুরতে যাবে, নিজের কোন বেস বা ইনকাম না থাকা সত্বেও অন্যের কস্টার্জিত টাকায় শো অফ করবে আর মনে মনে পাতি বাঙ্গা্লী থেকে বাইরে বং সাজার চেস্টা করবে বা সুজোগ পেলে ঠোটে ঠোট বা সেন্ট্রাল পার্কের নিরজনতায় শরীরে শরীর মিশিয়ে দেবে।না এই প্রেমে আমি পরিনি তরী, আমি প্রেমে পড়েছি লোভে, হ্যা লোভে, আমার ওই “স্বপ্নে দেখা রাজকন্যা” জাতীয় স্বপ্নগুলো সত্যি হবার অলীক হাতছানিতে, আর সেটা বোধহয় লেখার বদলে একটা কবিতা দিয়ে আরো ভাল বোঝাতে পারবো।

‘মন খারাপের রাতে
হাওয়ায় ভাসে সি মাইনর
বিপ্লবীরা কাঁদে
উরন্ত সব জোকাররা আজ
হাসছে আমায় দেখে
মন খারাপের পাগলা রাতে
ঘুমপারানি বেশে
হারিয়ে যাওয়া কান্না নিয়ে
থাকতে পারছি না আর
ঘুমের মাঝে বলে যা
তুই কি নীলপরী আমার ?

কিম্বা লিম্প ব্লিজকিটে গানটাই ধরে নাও

No one knows what it's like
To be the bad man
To be the sad man
Behind blue eyes
And no one knows
What it's like to be hated
To be fated to telling only lies


But my dreams they aren't as empty
As my conscience seems to be
I have hours, only lonely
My love is vengeance
That's never free

তুমি নিশ্চয় ভাবছ যে আমি কি তাই না? আমি পাগল না ছাগল, মানুষ না ভিন গ্রহের জীব তাই না? তুমি কে ? কি? কোথায় থাকো? কি করো? তোমার মানষিকতা কিরকম ? তুমি কি করকম?তোমার জীবন কিরকম ? তোমার কোন রাজপুত্তুর আছে কিনা? আমি কে? কি করি? কোথায় থাকি? কি রকম ছেলে? এইরকম অনেক অনেক অসংখ্য প্রশ্নের উত্তর আমরা দুজনেই কেউ জানি না, কোনদিন দেখা হল না, ইথার তরঙ্গে দুটো কথা হলনা, কেউ কাউকে একফোটা বুঝলুম না আর আমি তোমার প্রেমে পড়েগেলাম। কি পাগলামো বলতো?? হয় গরমটা খুব বেশী পড়েছে নয়ত কলকাতা শহরে পাগলামির প্রোকপ খুব বেড়ে গেছে।

দেখ যে প্রশ্নের উত্তরটা আগে থেকেই জানা সেটা করা মানে বোকামি আমি জানি কিন্তু তার বাইরেও মন বলে একটা বস্তু আছে আর তাকে হাল্কা করার জন্যই চিঠিটা লেখা ছাড়া আর কোন উপায় ছিল না। দেখ এটা স্বী্কার করতে আমার মনে কোন ভয় বা দ্বন্দ নেই যে তোমাকে ভালবেসেছি না না ভালোলেগেছে, তাই তোমার উত্তরটা জানা সত্তেও চিঠিটা লিখে ফেললাম,কারন তোমাকেও আমায় ভাললাগতে বা ভালবাসতে হবে এমন শর্ত আছে কি?

পরিনতি কি জানি না। তোমার উত্তর আসবে কি জানি না, আরো এমন অনেক কিছু জানি না তবু কিছু কথা লিখে ফেললাম পারলে ক্ষমা কোরো।

তোমার এক চেনা বান্ধবীর মাধ্যমে তোমার মেইল আই.ডি টা পেয়ে চিঠিটা পাঠালাম,ওকে ভুল বুঝ না। ওকে একরকম জোড় করেই বাধ্য করেছি বন্ধুত্বের ইমোনাল ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে।হয়ত তোমার সাথে ওর সম্পর্কটা নস্ট হয়ে যাবে তাই বলা আমাকে জা ভাবার ভেব কিন্তু মত বন্ধুকে নয়।

ভালো থেক, আর পারলে আকাশের ঠিকানায় চিঠি লিখ,

ইতি
নিলয় নামের এক পাগল, সমাজ নামের এক মুক্ত পাগলাগারদ থেকে।

Sunday, March 14, 2010

কি সেলাম জানাব ???


কি সেলাম জানাব ???

তুমি কি ছিলে চাষার ছেলে
তুমি কি ছিলে মানুষ
কোন আনন্দে স্বপ্ন নিয়ে
উরিয়েছিলে লাল ফানুষ

তুমি কি ছিলে প্রতিরোধে
তুমি কি ছিলে সেখানে
যখন পুলিশের গুলি লেগেছিল
তোমার ভাইয়ের কপালে

তুমি কি ছিলে মায়ের পাশে
তুমি কি ছিলে সেখানে
যখন তোমার জমি কেড়ে নিচ্ছিল
সালিম নামের ডাকাতে

তুমি কি ছিলে নদীর পাশে
তুমি কি ছিলে ব্রীজে
যখন ওপার থেকে বোমার আঘাতে
রক্ত মিশেছে খালে

তুমি কি দেখেছ ইটভাটা
তুমি কি পড়েছ চটি
কাটা রাস্তার দুধারে দেখেছ
ঘরপোড়া ইতি উতি

তুমি কে এনেছ পরিবর্তন
তুমি কি শুকেছ গন্ধ
আর কিছু নাই পারলে
শুধু দেখিয়েছ কিছু স্বপ্ন

Saturday, March 6, 2010

একটি পাগলের আত্মকথন



একটি পাগলের আত্মকথন

সত্যি কে আজ মিথ্যে করে
দেখতে আমি পাচ্ছি না,
তাই তো তোর আগুনটাকে
প্রেমের স্পর্শ লাগতে দিচ্ছি না।
তুই তো আমার অভিমানের
সূর্য ডোবা রাত,
তাই মন কেমনের বাদলা দিনে
তোর খিল্লি করা পাপ।
রাত পোহালেই বৃষ্টি নামে
আমি ভিজি কই?
তাই ল্যাম্পপোস্টের নীল আলোয়
দেখতে কি পাস রংবেরঙের মই?
কুয়াশাঘেরা সন্ধেবেলায়
হতাশ মনে আকাশ দেখিস না,
আর এই কবিতা না বুঝলে
আমার মত পাগল হয়ে যা।

Thursday, February 25, 2010

পরী

পরী


তোকে তো আমার দেখতে খুব ইচ্ছা করে
হাওয়ায় ভেসে আসিস তুই
ইচ্ছে ছিল বলতাম তোকে পরী হতে
অন্ধকারে থাপ্পড় মারিস তুই
তুই যে আমার না বলা ভালবাসার কথা
মন খারাপের রাতে
তোকে মিছেই স্বপ্নে দেখা
নীল আকাশের মেঘ দেখলে তোর চোখে জল
আঘাত পাওয়া ভালবাসায় মারিস ছুরি
কিসের তোর অভিমান যে আমাকেও বললি না
মা কি তোকে বলেছে কিছু
কথা বলিস না আর
হাত বাড়ালেই বন্ধু হয় গল্পে শোনা যায়
তুই কি হবি পরী আমার
সত্যি করে বল
ধার করে আমি বলব না
“করিস নে তুই ছল”
তুই কি জানিস বিল্পবীরা ভালবাসায় চলে
তুই কি জানিস এই পাথরটা কিসে চুর্ন হয়
এত প্রশ্নের মাঝে পাখি বেবাক উড়ে যায়
তবুও তোকে স্বপ্নে দেখি
মন খারাপের রাতে
হাওয়ায় ভাসে সি মাইনর
বিপ্লবীরা কাঁদে
উরন্ত সব জোকাররা আজ
হাসছে আমায় দেখে
মন খারাপের পাগলা রাতে
ঘুমপারানি বেশে
হারিয়ে যাওয়া কান্না নিয়ে
থাকতে পারছি না আর
ঘুমের মাঝে বলে যা
তুই কি নীলপরী আমার ?

Sunday, February 21, 2010

সর্বহারা



সর্বহারা




অর্ণব এসেছিল গতকাল সকালে
কথামত পিস্তলটা দিয়ে গেছে আজ রাতে
তখন থেকেই হাতটা নিস্পিস করছে
মনে হয় কখন গুলি করব ঐ শয়তানটাকে
স্বাধীনতার সঙ্গে শোষনের একি প্রবঞ্চনা
কাজ আর কিছু নেই বসে বসে দিন বদলের দিন গো্না
আশুদার কথামত গিয়েছিলাম বনে
গোপন মিটিং এ শেখা বিল্পবের বাণী যত্নে রাখি মনের কোনে





পরশুদিন বিচার আমার ধরা পরে গেছি
নকশাল বলে কমিঊনিস্টদের যাঁতাকলে পরেছি
হয়ত আমায় ফেলবে মেরে নয়ত দেবে নির্বাসন
তবে দেখতে পাছি জাগছে শ্রমিক, কৃষক, সাধারণ মানুষ জন
হুশিয়ার, নিস্ঠু্র , বেইমান, শয়তান
তোদের বাচাতে পারবে না কোন ভগবান
জনস্রোত জাগবে যখন বাচবি না আর তোরা
দেখবি জীবনপথের জয়গান গাইছে সর্বহারা


Monday, February 15, 2010

প্রলাপ

প্রলাপ
আত্মহণনের রাতে আগুন লেগেছিল কৃষ্ণপক্ষের চাঁদে
দুর্ভিক্ষের সুনামিতে ভেসেছিল মরুভূমির রুক্ষ প্রান্তর
সাইক্লোন এসেছিল তটরেখা ধরে কিন্তু ফিরে যায়নি আর।
ঝাঁ চকচকে রাস্তা, উরন্ত ফ্লাইওভার আর আমার নতুন শহর,
তবুও এখনও সতী হয় কেউ।


পঞ্চভূতে বি্লীন হয় সবার দেহ, ভোটযন্ত্রের আত্মা তাদের রক্ত চুষে খায়,
ভূমি্কম্পের কেন্দ্রে আমার হৃদয় আজ ফেটে চৌ্চির
তবু ভারতবর্ষ মুখ লুকোয় অন্যের কাছ থেকে।
পাগলকে কেউ ভালবাসে না তাই আমার পাগলাগারদ এই সমাজ,
যেখানে সবাই পাগল,সবাই পুতুল কোন নেতার।


হাওয়ায় ভর করে গান্ধী এসে বলে যায় আমি আত্মহত্যা করেছি।
মাথাটা আমার খারাপ হয়েছে নিশ্চয়!
নইলে করছি কেন সত্যি বলে সময় অপচয়!
তবু স্বপ্নে আজও নাথুরাম বলে যায় নেহেরুর কানে কানে,
আত্মহণনের রাতে আগুন লেগেছিল কৃষ্ণপক্ষের চাঁদে।

কোলকাতার মারিয়াম


কোলকাতার মারিয়াম

কালো চাঁদ
নীলছবি আর লালবাতির মাঝে
কোলকাতার মারিয়াম
 
তার বুকে খেলা করছে
গতকাল জন্ম নেওয়া ফুটফুটে যীশু
পঁচিশে ডিসেম্বরের হিমেল রাত্রিতে
কোলকাতার যীশু করাঘাত করে
নীলছবি আর লালবাতির মাঝে
কোলকাতার মারিয়ামের কাছে

বাবুর খবর কেউ জানেনা
গত ছমাস ধরে
যবে থেকে মারিয়াম জানিয়েছিল
যীশু আছে তার পেটে
হয়ত পালিয়ে সেই বাবু বেঁচেছিল
নীলছবি আর লালবাতির মাঝে
কোলকাতার যীশুর কাছ থেকে

বেজন্মা যীশু যখন জানবে পরিচয়
আমি নিশ্চিত ধর্মের বদলে গাইবে জয়গান
আর বলবে জয় গাঁজা,চরস,আফিম আর নারকোটি্কসের জয়
আর শেষ দিনে পেরেকের বদলে ঠাসবে বুলেট তার হাতে পায়ে
তফা খালি হাতুরি আর পিস্তলে

কিন্তু যীশু মরার আগেও জানবে না
নীলছবি আর লালবাতির মাঝে
আসছে আরেক যীশু কোলকাতার অন্য মারিয়ামের কাছে

Sunday, January 17, 2010

পারফেক্ট প্রলাপ

একদিন পেচা আচরে দিলো আমার ক্ষতবিক্ষত হৃদয়ে
পোড়া বারুদে সেদিন ছিল মুক্তির ডাক
তবু বলব প্রেমকে ঘেন্না করি
মানুষ কেন এত হারামির জাত
স্তব্ধ পায়ে রুদ্ধ দ্বারে করাঘাত করে
হৃদয়ের যন্ত্রণায় মলম লাগাই
মোম গলে ক্ষীর হয়
আর গোলাপ দিয়ে হৃদয়ের রক্ত ঝরে
সুস্থ শরীরে অসুস্থ মন
মালে আর নেশা হয় না
ব্যার্থ কবির আত্মহূতি দেবার আগে
যন্ত্রনায় নিজেকে নিকরে নিতে চাই
মন কেমনের রাতে চাঁদ হেসেছিল কি
প্রশ্নের উত্তর পাগলরা জানে
সে কতবড় পাগল ছিল
অভিশপ্ত গিটারে বাজে
আর পলাশ ফাগুনে শকুনের মন
ভাগারের ডাক শোনে
বিল্পবীরা রাস্তা দিয়ে কেন হরির লুট লোটে
যন্ত্রনায় ছিন্নভিন্ন আমার
কোন যন্ত্রনা বড়
সেটা সিগারেটের ধোয়া চেনে
আর আলপ্টকা বাতাসে আজ
বিস্বাষঘাতকরা মাথা কোটে
আর হাওয়ায় ভেসে অক্টোবর বলে যায়
লাগে রাহো মুন্নাভাই

Tuesday, January 5, 2010

অর্ধেক আকাশ

অর্ধেক আকাশ

হাওড়া থেকে হিউস্টনঃ
এক কুয়াশা ভরা হিমেল রাত্রিতে শেষবারের মত শহর টাকে দেখে নিল আকাশ। এ.সি বদলে হাল্কা হিটার চলছে তাই কাছে বাস্প জমে গেছে, সেই ঘষা কাঁচ আর দমদম এয়ারপোর্টের ভেপার ল্যাম্পের আলো্র মধ্যে দিয়ে প্লেনের ভিতর থেকে যতটা দেখা যায় আর কি । না দেখা কিছুই যায় না, আকাশ স্পষ্ট অনুমান করতে পারে একটু দূরে মা বাবা ভিসিটর গ্যালারি তে দারিয়ে আছে, হয়তো টাটা করছে,মায়ের চোখে জল,বাবার মুখটা একটু ভারী,হয়ত মাকে শান্তনা দিছছে।

আকাশের চোখের কোনায় জল চিকচিকিয়ে উঠে আর আকাশ চোখ বন্ধ করে স্পষ্ট দেখতে পায় আর একটু দূরে ১০-১৫ কিলোমিটার গেলেই ওদের বাড়ী। সেই স্কুল ,বিশাল খেলার মাঠ ৮ টা বছর ওখানেই কেটেছে।আর একটু দূরে কলেজ ,সেই লর্ডসের মাঠ, উলফ এর হস্টেল,খ্যাকশিয়ালগুলোর সাথে বাওয়ালি,রেবেকার দিনগুলোতে হুল্লোর মস্তি, নাহ এগুলোকে ও মিস্ করবেই। আছ্ছা চাকরী তো ও এই শহর এই পেয়েছিল তাহলে ছেড়ে যাবার কি খুব দরকার ছিল?না হয় সব পেয়েছির দেশে মার্স্টাসটা হত না কিন্তু ওর নিজের কলেজটাই বা খারাপ কি একটু চেস্টাচরিত্র করলে হয়ত আই.আই.টি তেও চান্স পেয়ে যেত ওখানেই না হয় মার্স্টাসটা করত । আ্ছছা হাওড়া থেকে হিউস্টন কত আর দূর?কে যেন বলে ওঠে —“পাগল,সাত সমুদ্র তের নদীর পারে!!”। আকাশ চমকে তাকিয়ে ওঠে; নাহ দেশে হয়ত আর তার ফেরা হল না। প্লেনটা রানওয়ে ধরে দ্রুত গতিতে ছুটতে থাকে।

সুদেষ্নার কথাঃ

আমি সুদেষ্না,আমি যে স্কুলে পরতাম সেখানে প্রতি বছর র‌‌‌্যাঙ্ক করতাম। ফলে ব্রিলিয়ান্ট না হলেও খুব ভালো মেয়ে তকমা টা ছিলই। যখন মাধ্যমিক এর রেসাল্টে স্কুলে জীবনে প্রথম বার ফা্র্স্ট‌ হই তখন আকাশ এর সঙ্গে আমার দেখা হাওড়া মিউনিসিপ্যা্লিটির স্টা্র দের প্রাইজ ডিস্ট্রিবিউশনের দিনদেখে এমন কিছু আহামরি লাগে নি, না আছে ছিরি না ছান্দ, কিন্তু একটা মিস্টি হাঁসি সবসময় লেগে থাকত ওর মুখে, চোখের ভাষা বোঝার বয়স আমার সেটা ছিল না।এরপর আমার বাংলা টিউশনে আকাশ ভরতি হয়, নিজের পরশুনা নিয়ে এমন কেয়ারলেস আমি কাউকে দেখিনি, আর তখন যারা পরাশুনা এর বাইরে অন্য কিছু ভাবত তাদের আমি তখন দেখতে পারতাম না অথচ আকাশ কিন্তু গবেট ছিল না,হ্যা ক্লাসটেস্ট গুলো, স্কুল এর পরীক্ষা গুলোতে আমার থেকে কম পেত বটে কিন্তু অন্যদের থেকে অনেক ভাল তো করতইকিন্তু একটা ব্যাপারে আমি ওকে কোনদিনও হারাতে পারিনি সেটা ছিল সকলের সাথে তাদের মত করে মেশার ক্ষমতা,সেই সকলের মধ্যে নিজেকে ছরিয়ে দেবার ক্ষমতাটা

আকাশ কে আমার প্রথম ভাল লাগতে শুরু করে যখন আমরা ক্লাস টুয়েল্ভে টেস্টের পর প্রথম কোচিন থেকে একটা ফিস্টে যাই। দেখি বাবু একটা লাল রংগের গিটার নিয়ে গেছেনআমি জানতাম না পাগলটা এত ভাল গিটার বাজিয়ে গাইতে পারে, সেই ফিস্টে চন্দ্রবিন্দুর ওই গানটা প্রথম শুনি। আকাশ গাইছিলো - “আমার ভিনদেশী তারা,একা রাতেরই আকাশে,তুমি বাজালে, একতারা আমার চিলেকোঠার পাশে”... কাউকে প্রথম ভালো লেগে জীবনের মানে টাই অন্যরকম লাগছিলোসেই ভালোলাগাটা সবার অগোচরে আমার মনে বেড়ে উঠছিলো,আমি আকাশকেও জান্তে দিই নি,নিজের সবছেয়ে প্রিয় বান্ধবিকেও বলিনি যদি ভালো মেয়ে রেপুটেশানটা নস্ট হয়শেষ যেদিন টিউশন ছিল সেদিন আকাশ আসেনি, বাড়ি ফিরে খুব কেন্দেছিলাম,কেমন যেন মনের ভিতর থেকে ব্যাথাটা বমির মত বেরিয়ে আসছিল।

আকাশ এর সাথে এরপর যোগাযোগ একদম হারিয়ে যায়। ওর মোবাইল নম্বর তা থাকলেও ফোন করার সাহস জুগিয়ে উঠতে পারিনি। শুনেছিলাম আকাশ নাকি বি.ই.কলেজে মেকানিক্যাল পরার চান্স পেয়েছে। কেয়ারলেস পাগলটা কিভাবে বি.ই তে পরার চান্স পেল কে জানে? কিন্তু ওর বি.ই তে চান্স পাবার খবর টা আমার এন.আর.এস এ ডাক্তারিতে চান্স পাবার থকেও আনন্দ দিয়েছিলো। ক্লাস শুরু হবার কিছু দিনের মধ্যে আকাশ আমার জীবন থেকে হারিয়ে যায়, সুহাসদা আসে। না, সুহাস মান্ডি কে মা মেনে নিতে পারেনি, মা কোনোভাবে জানতে পেরে যায় সে সুহাসদা এন্যাটমিতে তিনটে গোল্ডমেডেল পাক না কেন আর সে যতই ভালো ডাক্তারির ছাত্র হোক না কেন,মা আমার ভালবাসাটাকে সমাজের দোহাই দিয়ে খুন করে দিলো, আমার মত নিরভরশী্লের কিছু করারওছিল না আকাশ এর মত মিস্টি হাসিটা সুহাসদা সবসময় লাগিয়ে রাখত মুখে;সেই সুহাসদাও একরকম ভাবে সেকেনড ইয়ারেই চলে গেলআমি পরে নিজেকে অনেক প্রশ্ন করেছি,উত্তর পাই নি, কেন আমি সুহাসদাকে পছন্দ করেছিলাম?মনের এই কনফ্লিক্ট আর কনফিউশান এই ফাইনাল ইয়ারেও আমায় তাড়া করে।
বসে বসে পরছিলাম হঠাদেখি একটা অচেনা নম্বর। আমি সাধারনত এইসব নম্বর তুলি না,আজকালকার ছেলেগুল বড্ড বিরক্ত করে,সবার কি অদ্ভুত আব্দার বলে কিনা বন্ধুত্ত করবে,ন্যকামো যত ,কিন্তু নম্বরটার সামনেটায় দুটো শুন্য থাকায় তুলতে বাধ্য হলাম আর আমার এতদিন কার প্রশ্নের উত্তর টা পেয়ে গেলাম।


আকাশের কথাঃ  


আমি আকাশ, আমি এমন কিছু আহামরি ছিলাম না,কোন বিগশটও ছিলাম না। একটু উপরের দিকের মাঝারি মানের স্টুডে্ন্ট ছিলাম আর কি।নিজের পরাশুনা নিয়ে আমি কোনদিনও সিরিয়াস ছিলাম না, কিন্তু আমি জানতাম আমায় কি করতে হবে।সবাই বলে তাদের নাকি এক্সপেক্টটেড রেসাল্ট হয় না, আমার আবার চিরটাকালই এক্সপেক্টটেশন এর উপরে রেসাল্ট হয়ে এসেছে। ফার্স্ট ডিভিষন এক্সপেক্টট করেছিলাম পেয়েগেলাম স্টার, অবশ্য মাধ্যমিক তো ওরকম হয়েই থাকে,এখানে মাধ্যমিক ফেল করাটাই সেলেব খ্যাতি এনে দিতে পারে সুদেষ্নার সাথে আমার প্রথম দেখা হাওড়া মিউনিসিপ্যা্লিটির স্টা্র দের প্রাইজ ডিস্ট্রিবিউশনের দিন। ম্যাডাম হাওড়া মিউনিসিপ্যা্লিটি এলাকায় র‌্যাঙ্ক পেয়েছিলেন। কি ঘ্যাম দেখতে, সেই মরালীর মত গ্রিবা,টানা টানা চোখ,হরিণের মত চাহুনি ;প্রথম দেখাতেই যে কাউকে ভাল লেগে জেতে পারে সেই জানা। ‍সত্যি love at first sight theory  নিয়ে কত বাওয়ালি না আগে দিয়েছি, খিল্লি উরিয়েছি,তখন শালা নিজে বুঝে নিজের মনে মনে খুব প্যাক খেয়েছিলাম অনেক খুজে ওই ভাটানে শ্যা্মলদার বাংলা কোচিন এ ভর্ত্তি হয়েছিলুম, খালি সুদেষ্নার জন্য ,শ্যা্মলদার নোট লিখলে আমায় বাংলাতে ৭০ পেতে হত না, বাকি যে কটা পড়ত একটাও শালা ৫৫ এর বেশী পায় নি,তবে সুদেষ্নার কথা আলাদা। পড়তে বসে আমার চোখ থাকত সুদেষ্নার দিকে ,আমি কিন্তু খুব স্পস্ট বুঝতে পারতাম সুদেষ্না আমাকে মোটেও পাত্তা দিছছে না, আর দেবেই বা কেন? আমার মত হত ওকে পরাশুনাতে হারিয়ে দিতে পারলেই কেল্লা ফতেহ হবে কিন্তু কোনদিন পারিনি আর আমার সেই সিরিয়াস্নেসও ছিল না, আমি কিতছুতেই আমি আমার আমিত্বটাকে ত্যাগ করতে পারিনি তাই বারবার হেরে যেতাম ওর কাছে তবুও মনের কোনে কোথাও একটা আশা থাকত। বাংলা কোচিন থেকে ফিরেই গিটারে Air Supply  বা Elton John এর লাইনগুলো গাইতুম।“ you can take the darkness from the spit of the light & turning into beacon burning endlessly bright….”এটা প্রতিদিন করতে করতে একটা অভ্যাস এ দারিয়ে গেছিলপ্রথম সুযোগ আসে আমাদের কোচিনের ফিস্টেআমি যখন গাইছিলুম তখন খুব ভাল করে বুঝতে পারছিলাম যে সুদেষ্না আমার দিকে তাকিয়ে আছে আর ওর দ্রিস্টিটা অন্য কথা বলছে,ঠিক সেই কথা যেটা আমি ‍শুনতে চাই। আমার প্রিয় চন্দ্রবিন্দুর ভিনদেশি তারা গানটা গাইবার সময় ও একমন দিয়ে শুনছিল, শেষ হবার পর বলল “তুই গিটার বাজাস? কোনদিন তো বলিস নি”, আমি বললাম “ তুই কি কোনদিন জানতে চেয়েছিস?”,ও চুপ করে গেল। তারপর কোচিনে গেলে স্পষ্ট বুঝতে পারতাম সুদেষ্নার দ্রিস্টিটা আর আগের মত নেই। আমার ওকে বলে দেবার ইছ্ছেটা খুবই প্রবল হয়ে উঠত কিন্তু বলতে পারতাম না,যদি প্রত্যাখ্যান করে আমি কথায় যাব,আমার মত মিডিওকার ছেলের এত স্পর্ধা হওয়া উচিত না আর হতও না।শেষ যেদিন আমাদের ক্লাস ছিল সেদিন ইছে্ছ করেই আমি যায়নি কারন নিজেকে ফেস করার ক্ষমতাটা আমার ছিলনা আর তার বদলে আমি গিটার নিয়ে বিটেলসের “let it be” সঙ্গে নিজেকে মিশিয়ে নিয়েছিলাম। এরপর আর কি, এইচ.এস,জয়েন্ট আর আমার মত পাতি ছেলের বি.ই তে চান্স পাওয়া। শুনেছিলুম ম্যাডাম নাকি ডাক্তারিতে চান্স পেয়েছেন ব্যাস আর কি ,আমার শেষ আশায় চাষা মরে গেল। সুদেষ্না আমার জীবন থেকে একরকম হারিয়ে যায় কিন্তু মন থেকে যায়নি। ফার্স্ট ইয়ারেই আমার অধঃপতনের শুরু , মানে ওই মদ খাওয়া, সিগারেট টানা এইসব। এরসঙ্গে মাঝে মাঝে একটু গাঁজা, লুকিয়ে চুরিয়ে দু একটা ব্লু-ফিল্ম,দিনভর হুল্লোর,জমাটি আড্ডা, চায়ের কাপে তুফান্‌,ছন্দহী্ন কবিতা,টেবিল-গিটার বাজিয়ে গান,ফেস্টের পাগল নাচ,দিন পনেরোর রাত জাগা পরীক্ষা প্রস্তুতি, হঠাহঠা চাপের সেমিস্টার আর সেই ঘেরাটোপ পেরিয়ে জিনিয়া,মধুরিমা,ইন্দ্রানী্দের অস্থায়ী ঢুকে পরা আর মনে অঙ্ক কষিয়ে,ফিলসফি বুঝিয়ে,কী্টস পড়ি্যে এলমেল করে, সুদেষ্নাকে মনে পরিয়ে কাঁদিয়ে চলে যাওয়া,এই করতে করতে কখনযে চারটে বছর শেষ হয়ে গেল কে জানে? কিন্তু একটা জিনিস শেষ হয়নি সেটা হল সুদেষ্নাকে পাবার আশাটা।তাই চারহাত ঘোরা সুদেষ্নার মোবাইলের নাম্বার থাকা সত্তেও কোন এক সুহাসদার জন্য আর করা হয়নি,ভেবেছিলাম সুখে আছে থাক,আমি জখন তখনই পারলাম না পরে কি আর পারব। তাই L&T তে একটা চল্লিশ হাজারি চাকরি পাওয়া সত্তেও, বাবা,ডাক্তার সুহাস, কী্টস, ল্যাপলাস, ফ্র্যয়েড আর আমাদের ডিন প্রফেসর KCN (কুবলয় চন্দ্র নাগ) আমায় বাধ্য করল GRE টা দিতে।অতঃপর হিউস্টন।

ইন্টারন্যাশনাল কল ০০ ঃ

“হ্যালো ইয়ং ম্যান,কি এত ভাবছ? আরে প্রথম প্রথম একটু মন খারাপ করে তারপর আস্তে আস্তে সব ঠিক হয়ে য়ায়”- আকাশ দেখে একজন মধ্যবয়সী,বয়স ষাটের কাছাকাছি, বোধহয় পুত্র না হয় জামাই গরবে গরবী কেউ হবেন,ওর পাশের সিটে বসে আছেন,বোধহয় দিল্লী থেকে উঠেছিলেন। আকাশ বলে-“ না,  সেরকম কিছু না”।ভদ্রলোক বলে ওঠেন-“ আরে,পাছে নকশাল হয়ে যাই সেই ভয়ে বাবা আমেরিকা পাঠিয়ে দিলেন,কিন্তু কি জান তুমি যতই সাফল্যে আকাশ ছোয় না কেন সেই আকাশ ছোয়ার আনন্দ পাবে না,এতদিন এদেশে আছি কিন্তু মনটা আজও সেই চন্দননগরেই পরে আছে,বাবা পরাশুনা শেষ করে দেশে ফিরে যেয় , তোমাদের মত ছেলেদের দেশের দরকার”।আকাশ মনে মনে ভাবল-“ শালা,ঢ্যামনা, নিজে এসে করে খেয়ে দেশভক্তি দেখাছহে,নকশালদের চেয়ে এদের মত পাবলিকের গুলি খেয়ে মরা উচিত ছিল”।আকাশ কথায় আর কান না দিয়ে ইয়ারপ্লাগটা কানে গুজে নেয়,প্লেনটা হিউস্টনের মাটিতে নেমে পরে।


ইমিগ্রেশনের ঝামেলা পেরিয়ে, নিরাপদে সব পেয়েছির দেশে পৌছ্নর সংবাদটা মাকে দিতে টেলিফোন বুথটার দিকে এগুলতেই আকাশের চোখ আটকে গেল একটা বিজ্জাপনে্র দিকে তাতে লেখা আছে ”stand up for what you believe in”,আর সঙ্গে সঙ্গে মনে পরে গেল “তুমি যতই সাফল্যে আকাশ ছোয় না কেন সেই আকাশ ছোয়ার আনন্দ পাবে না”।আর নিজের অজান্তেই মায়ের বদলে প্রায় ভুলে জাওয়া মোবাইল নাম্বারটা ডায়াল করে বসে সে।

আল ইজ ওয়েলঃ

সুদেষ্না ফোনটা তুলে নিতেই যেন তার জন্মান্ত্ররের ঘোর কেটে যায়,আর বহুযুগের ওপার থেকে একটা গলা শুনতে পায়,”সুদেষ্না কেমন আছিস?”।“আকাশ তুই!!?? তুই কেমন আছিস?”।“ ভাল নেই রে”।“ কেন রে তোর কি হয়ছে?”- সুদেষ্না্র মনে হয় যেন  পায়ের তলা থেকে পৃথিবী সরে যাছে্ছে। জন.এফ.কেনেডির একটা টেলিফোন বুথ থেকে আকাশ কোন এক ঘোরে বলে যায়-“ আমি এখন আমেরিকাতে,দু বছর বাদে ফিরবই ফিরব, তুই আমার জন্য অপেক্ষা করে  থাকবি তো? তোকে ছারা আমি তো অর্ধেক,অর্ধেক আকাশ কি ভাল থাকতে পারে?”। হাজার হাজার মাইল দূরে সুদেষ্না আকাশকে কোন উত্তর দিতে পারেনা, নিজের প্রশ্নের উত্তরটা হঠা  পেয়ে যাওয়ায় একগাল হাসির পাস দিয়ে অবিরাম জলধারা বয়ে চলে।

Friday, November 6, 2009

আমি সেই লিট্ল্ বয়

আমি সেই লিট্ল্ বয়
যার আগ্নিস্পরসে দগ্ধ হয়েছিল শত শত জাপানি
যার নরম স্পরসে এসেছিল মৃত্যু নেমে
নরক থেকে সুরগ লকের পথে,


আমি সেই লিট্ল্ বয়
আমার জন্ম এক প্রান কঠিন প্রজেক্ত ম্যানহাটনে
আমিই ছুড়ে ফেলেছিলাম সেই বিমানচালককে
সুস্থ থেকে পাগলাখানার পথে,


আমি সেই লিট্ল্ বয়
ট্রুমান - এর সাক্ষরে আইজেনহাওয়ারের সম্মতিতে
আমি এসেছিলাম হিরোশিমায়, যেমন করে -
আলো নামে আন্ধকার - এর পথে,


আমি সেই লিট্ল্ বয়
আমি শুনেছি কত আরতচিতকার কত অভিশাপ
শুনেছি কত হুমকি কত স্তুতি
তবু আজও আমি হেঁটে চলেছি
জীবন থেকে মৃত্যু্র পথে,


আমিই সেই লিট্ল্ বয়
আমায় নিয়ে আজও কত গবেষনা কত আন্দোলন
তবুও কি আজও মানুষ থামাবে না হাঁটা
সৃস্তি থেকে ধংসলোকের পথে।

সাওতাঁল

সাওতাল পরগনার এই টাঁর মাটিতে
কোটি বছরের জলন্ত জিবন্ত ইতিহাস আছে এক
ইশ্বর এর স্রিস্তি কালো আদম্
সাওতাঁল

সাওতাঁল কি বিছিত্র এই নাম,কি বিছিত্র এই জাতি
সিংভুম,মানভুম,ধল্ ভুম বিস্তিরন্ন এলাকা জুড়ে সাওতাঁলরা
হয়ে আছে শোষন,নিপিরন এর নিরবাক প্রতিছবি
সাওতাল আরণ্যবাসী গুহাচারী কালো মানুষ
সভ্য মানুষ এর কাছে অসভ্য মানুষ
তবু তাদের হুঙ্কার থেকে বোঝা ‍‍‌‍‌‍‌যায় প্রকৃতি আজও রণরূপ ধারন করতে পারে

বী্র বরুর জঙ্গলে যখন থাকে না দাকা
বিস্তিরন্ন এলাকা জুরে চলে না জলের থাকা
আসহ্য গ্রীস্মে নিদারুন শী্তে কতিবস্ত্র গায়ে
বেচে থাকে ঈশশর এর সৃস্তি কালো আদম্
সাওতাঁল

জমিদার,মহাজন এদের করেছে লুট
ইংরেজরা সব নিয়ে দিয়েছে ছুট
জোড় করে কেরেছে জঙ্গল কেরেছে মাটি
নিয়ে গেছে তেনে ডুয়ারসে করতে খুন
চায়ের কাপে রক্তের গন্ধ পাই আজও আমি
ধরমের মহান দেশে
মিশনারিরা যীশুবাবা কে বসায় সিংবোমার জায়গায়
পিলচুপুরি,পিলচুহারাম হারিয়ে গিয়েছে কবে
টাঁরমাটির সেরেঙ্গঁ শোনা যায় নাকো আজ
সাওতাল রা লাঞ্ছিত আজ দিকুদের হাত থেকে
হাঁরিয়া খেয়ে এই অপমান তারা পারবে কি ঢাকতে?

ভুলতে পারবে না বলেই আজও রেগে দারায় তারা
তখন মনে হই তারা সিধু-কানহো এরও বাড়া
তবু বেচে থাকে 
ইশ্বর এর সৃস্তি কালো আদম্ সাওতাঁল

কত বছর কেটে গেল
কত সুয্য অস্ত গেল
তবু বদলালো না এই কালো জাত সাওতাঁল
কেন্দুপাতা বেচে অনাহারে হয় আমলাশোল
মাওবাদি হয়ে বাগি হয়ে যায়
ভারতবরষের ভূমিপুত্র সাওতাঁলরা




তবু সাওতাল পরগনার এই টাঁর মাটিতে
কোটি বছরের জলন্ত জিবন্ত ইতিহাস আছে এক
ইশ্বর এর স্রিস্তি কালো আদম্
সাওতাঁল









Monday, August 24, 2009

To a martyr

To a martyr
Your life was’nt wasted,
Nor was your holy death.
You can see the changes of the aftermath.
O sacrificing soldier you never stamped our belief,
And this is why today for you our hearts heave.
You were there always at the nations beck and call.
Our life against your death is really so small.
Great are you ,And greater is your family.
If we try and compare you there’s no simile.
It’s your courage to defy life’s desire.
Coz of you today we are away from fear and mire.
No words of ours can be a tribute,
No flowers on your sepulcher can show our gratitude.
Your valorous act made us all mute.
We wish if we could soon punish the brute.
O seraph , help our prayers reach our hero.
Acquaint him – “In our hearts he’ll forever reside.
Coz of his efforts our nation survived।”

A CHANCELESS ZERO

When life surrounded by darkness
A light came up for a while
A small ray of hope
But I didn’t realize the last ray which came for a while
It took with him the last hope of mine
Now it’s clear that my life is a misery
But I wish to die in honor




The honor of love & sacrifice
The honor of betrayal & hypocrisy
The honor of ditching me

But I shall no longer claim any martyrdom
Nor any hero
I wish to call myself the lightless hero
Better to be a chanceless zero

Friday, May 1, 2009



প্রথম প্রত্যাখান

গিলোটিন টা নামিয়ে দিলে তুমি
মাথা টা কাটলো না
কিন্তু ... আমার হৃদয় তা কেটে টুকরো টুকরো হয়ে গেল
Phone টা হঠাৎ কেটে দিলে তুমি
জন্ত্রনা থামলো না
কিন্তু ... আমার আনুভুতি তা শেষ হয়ে গেল
Proposal টা refuse করলে তুমি
তোমার কিছু এসে গেল না
কিন্তু ... আমার জীবন টা শেষ হয়ে গেল
প্রেম আবার ফিরে এল জীবনে
সবাই বলল আগের কথা ভুলে জেতে
কিন্তু ... সত্যি কথা, ভাওবাসায় বিস্বাস হারালাম আমি

Sunday, April 5, 2009

তুই হঠাৎ করে চলে গেলি বলে গেলি না


আমি রাতের বেলা হঠাৎ করে তোমার কথা ভাবি
আর মনের মাঝে মেঘের ফাঁকে তোমার ছবি জাগে
আমি তোমার মনে কেনো জায়গা পেলাম না বলো ?
 
আর telephonic rejection টা আজও ভুলতে পারিনা জানো

তুই হঠাৎ করে চলে গেলি বলে গেলি না 
একবার  তো জানাতে পারতিস আমায় ভালবাসিস না