Welcome to my world

welcome everybody. please discover yourself with me

Tuesday, June 14, 2011

মাতালের কবিতা


মাতালের কবিতা 

আমি কি ক্ষতি করেছি ভালবেসে
যেভাবে  দেখেছি তাই বলেছি
তাতে যদি তোর ভাল না লাগে
আমি কি করব?

আমি তোকে ভালবেসেছিলাম, সে এক অন্য ব্যাথা
অন্ধকার দিনে মনে পরে তোকে জানি,
সে এক কাব্য
লিখব? কি হবে লিখে-
আমি আজ জীবন্ত
কিন্তু আমি অপারগ
চিনতে চাই, চিনতে পারিনি
আমার ভুল!

আউট হয়ে লিখছি
কি লিখছি জানিনা,
ভুল তো হবেই কিন্তু ক্ষমা চাই না
শুধু এটুকুই বলব
তুই বিশ্বাস করতে পারলি না।
তুই ভরষা করতে পারলি না।

তাই ভাবী কালের প্রেমিকদের জন্য
একটাই উপদেশ
“বাল ছেঁড় তোরা”। 

Thursday, March 31, 2011

কলকাতার মারিয়াম – ২


কলকাতার মারিয়াম – ২

তার আর কোন খদ্দের ছিল না
তবু রঙ মেখে সে দাঁড়াত প্রতিদিন 
কালো চাঁদ, নীলছবি আর লাল আলোর মাঝে
কলকাতার মারিয়াম।

তার শরীর খুবলে নিয়েছে অজস্র মৃত নেকড়ে
চরম উত্তেজনা পর্যন্ত নেকড়েরা দ্বিধা করেনি
মরা হাতলের চাপ দিতে
তবুও আজও মারিয়াম দাঁড়ায় সন্ধানে
ন্যাকড়া রূপী নেকড়েদের।

এত কিছুর মাঝেও তিনটে যীশু এসেছিল
দুটো শশ্মানের মাটিতে আর একটা অন্ধকারে,
যীশুরা কিন্তু বেজন্মা ছিল না
যদিও লালন নামের লুলো ভিখারীটা ছিল রসিক
তবু যীশুরা বেজন্মাই ছিল সমাজের কাছে।
তবে বেশ্যার যীশুরা নাগরিক হতে পেরেছে
কিন্তু মানুষ হতে পারেনি।

বয়স হয়েছে, দাদারা ছিল না
তাই সে মাসি হতে পারেনি,
না পেরেছে হতে এজেন্ট।
তাই পেটের তাগিদে মারিয়াম এখনো দাঁড়িয়ে থাকে।
শত তাচ্ছিল্য আর কর্পো কম্পিটিশানের মাঝে।

তাই যদি এখনো যাও দেখতে পাবে
কালো চাঁদ, নীল ছবি আর লাল আলোর মাঝে
দাঁড়িয়ে আছে কলকাতার মারিয়াম।

Sunday, March 27, 2011

ভয় ও ব্যার্থতা


ভয় ও ব্যার্থতা

ভাবি একদিন বলব মনের কথা
অন্তরের যন্ত্রনা আর কতগুলো অশ্রাব্য ভাষা 
কিক্তু তবু বলতে পারি কই?

হারিয়ে যেতে যেতে পালিয়ে যাই
তাই মিথ্যে স্বপ্ন আর ঠুনকো কল্পনার মাঝে
জন্ম নেয় তিন সীমাহীন ফারাক
বিশ্বাস, সন্দেহ আর যোগ্যতা।

তাই যখন অন্ধকারের অতল থেকে ছুটে আসে গুলিটা
বিদ্ধ করতে পারে না শরীর
শুধু ছুঁয়ে দিয়ে যায় মনকে।
আর বলে যায়,
‘কিছু কথা না বলাই থাকে ভাল’। 

Monday, March 21, 2011

অসমাপ্ত বাস্তব


অসমাপ্ত বাস্তব

আপাত নিশ্চুপতা কিন্তু বিশাল এক ঝড়      
আছড়ে পড়তে পারে মরূভূমির বুকে
অন্তহীন সীমাহীন জলপথে নাবিকের দীর্ঘশ্বাস
বয়ে নিয়ে চলে নামগোত্রহীন বাতাস
তাই উষ্ণ সতেজ প্রান্তিক স্টেশানে
মিলে যেতে পারে ক্ষনিক জীবন
অবরুদ্ধ পৃথিবীর বুকে জানলা গুলো বন্ধ
তেজস্কৃয়তাই অক্সিজেন তবু হৃদয়ের চোখ অন্ধ
তাই অন্ধকার আর আলোর মাঝে
একফোঁটা মনখারাপ আর................ 

Tuesday, February 1, 2011

জীবন্ত কবন্ধ

জীবন্ত কবন্ধ     

আমারো তো খুব ইচ্ছা করে
ভেজা ঘাষের উপর হাঁটতে,
ইচ্ছা করে স্বপ্নগুলো নিজের মতো আঁকতে,
তবু ইচ্ছা গুলো মিলিয়ে যায়
ব্যার্থতার শেষ সীমানায়, রাত্রির শূন্যতায়, চাতকের চেতনায়,
আর রূঢ় বাস্তব এসে ঘোষনা করে ইচ্ছাগুলোর
অন্তঃসারশূন্য মৃত্যুদন্ডের।
রোজ ইচ্ছা করে সূর্যোদ্বয়ের সঙ্গী হব,
তার হাতটা নিজের হাতের মুঠোয় নিয়ে বেড়িয়ে পড়ব
ওই নীল নদীটার পাড়ে আর ভবিষৎএর স্বপ্ন দেখব অলীক,
তবু কোথাও দীর্ঘ ঘুমের শেষে
বিষন্নতার ছায়াঘেড়া পথে,
ইচ্ছাগুলো ফের একবার মিলিয়ে যায়
আর অদৃশ্য পেতাত্মা এসে ঘোষনা করে আমার অপদার্থতার।
চারপাশের আপাত সুখের দাম্পত্য দেখে
পৈশাচিক দীর্ঘশ্বাস পড়ে,
আর জাতক ইয়ার্কি মেরে বলে যায়
‘আঙ্গুর ফল টক’।
তাই উদ্দেশ্যহীন অপূর্ন ইচ্ছাপূরণের তীব্র আকাঙ্খা
আমায় তাছিল্ল্যভরে আখ্যা দেয়
জীবন্ত কবন্ধের।

Friday, January 21, 2011

চুম্বন

চুম্বন




আজো মনে পড়ে সেই ফেলে আসা মাঠ
জমাট বাঁধা অন্ধকার আর হালকা হাঁসির ছাপ
চুড়ির টুং টাং শব্দ
আর মন কেমন করা অবসাদ।
হালকা দখিনা হাওয়ায় খোলা চুলের আঘাত,
মাধবীলতার গন্ধে ছিল ফিরে যাওয়ার ডাক
কালপুরুষ সাক্ষী ছিল, লুদ্ধক নিশ্চুপ
হাতের মুঠোয় ছিল পার্থিব সুখ
চোখ দুটো বন্ধ ছিল,
আর জিভ স্বাদ পেয়েছিল উষ্ণ নোনা জলের।
শেষ কাঙ্খিত স্পর্শ ছিল ক্ষণিকের
তারপর ভেষে এসেছিল চাতকের উপহাস,
সেই শেষ উঠে এসেছিলাম মাঠ থেকে
আর ফিরে যাওয়া হয়নি।

Friday, November 19, 2010

সত্যিটা না জানলেই ভাল ছিল।


সত্যিটা না জানলেই ভাল ছিল

সেই সত্যিটা আগে জানতে পারিনি
যখন জানলাম তখন আর কিছু করার ছিল না।

কালো মেঘের চোখে ধুলো দিয়ে
একপশলা গরম বাতাস এসে বলে গেছে
আমার কানে কানে
কৃষ্ণকলী চলে গেছে।

আকাশের দিকে মাথা রেখে
তার নরম কোলে কেঁদেছিলাম
তবু মনের দুয়ার ছিল বন্ধ।
সন্ধ্যাআকাশের শুকতারার আলোয়
আমি ঘ্রান নিয়েছিলাম ওই মাধবীলতার তবু
আমার মন ভরেনি।

আমি পাগল হয়েছিলাম
সেই হরিনীর দৃস্টিতে
অসহ্য করে তুলত সেই যন্ত্রনা,
তাই পাগলের মতো ছুটেছি
মোমপুতুল দিয়ে মনের শোকেশ সাজাতে,
তবু অনামিকার মান ভাঙ্গাতে পারিনি
নিজের ব্যার্থতাকে তাই মনে হয়েছিল
পৌরষত্বে্র অপমান।

ছুটে গিয়ে মুখ লুকিয়েছি
আমার চেনা স্পর্শে,
হাতের তালুতে শান্ত হয়েছে মন
গভীর ঘুম নেমে এসেছে চোখে
বারবার তার চেনা স্পর্শে।
আগুন জ্বালিয়েছি বহুবার তবু
ইচ্ছা করে নেভায়নি।

বুনো ঘোড়াকে বশে আনার আনন্দে
যখন আমি আত্মহারা,
কালো মেঘের চোখে ধুলো দিয়ে
একপশলা গরম বাতাস আমায় বলে গেল
কৃষ্ণকলী ভালবেসে মুক্তি দিয়ে গেছে আমাকে।

এই সত্যিটা আগে জানতে পারিনি
যখন জানলাম তখন আর কিছু করার ছিল না।


Friday, November 5, 2010

চমৎকারের আশায়


অচিরের আকাশখানা, হৃদয়ের ক্ষতচিহ্ন হয়ে;
বয়ে গেছে আর নিয়ে গেছে কিছু স্মৃতি,
আর রেখে গেছে বুকফাটা চাপা দীর্ঘশ্বাষ।

ভাবতে আজকে ভয় করে,
পুরানো কথার নতূন স্মৃতি
আর তার সাথে মিশে থাকে
জমাট অন্ধকারে একফোঁটা কান্না।

সে ছিল, সে নেই; কি ছিল, কি ছিল না
এসবের আজ কোন মানে নেই;
তবু আজ কোথাও না কোথাও
রয়ে গেছে হতাশা, রাগ আর ঘৃনা।

আমি জানি না বিশ্বাষঘাতকতা কাকে বলে,
কিন্তু আমি পেয়েছি তার স্বাদ,
দেখেছি তার চোখে চাতুরতার ঝিলি্‌ক,
আর কিছুতেই বুঝতে পারিনি অভিনয়।

তাই করেছি অনেক কিছুই
হয়েছি জীবন্ত লাশ, পেয়েছি ফেরিওয়ালার প্রত্যাখ্যান,
কিন্তু প্রতিহিংসা নিতে পারিনি আমি
ভাগ্য বোধহয় কাপুরুষ ভাবে আমাকে।

তবু স্বপ্ন দেখি,
কারাগারের ওপারে জীবন না মৃত্যুদন্ড জানি না
তবু তো চান্স নিতে হবে, নতুন ভাবে বাঁচতে হবে।
না বাঁচলে যাব কোথায়?

পালিয়ে যাবার ছেলে নই আমি।
তাই আজো চমৎকারের আশায় বসে থাকি।  

Thursday, October 28, 2010

ফ্রাস্ট্রু এবং কবি


নীল আকাশে
হারিয়ে যাওয়া শূন্যতায় আর মেঘের নিসঙ্গতায়
ভেষে বেড়ায় মন,
অকারনে দোষারোপের পালা, অবিশ্বাষের কালো পর্দাওলা
রক্তমাংসের বিষ।

যে ছুড়িতে কেক না কেটে কাটা যায় হৃদয়
তারই একটু ভালবাসার স্পর্শে তৃষিত থাকে মরুভূমি
ছুঁতে চাওয়ার শিহরন আর আর্তনাদ
এই নিয়েই আবহমান আবর্তিত সাতকাহন।

দুঃস্বপ্নের রাত্রে দেখা কালো বেড়াল
মানুষের খুলি আর যমদূতের কান্না
অ্যান্টিরোমান্টিক নাটকে কিউপিডের হাহাকার
আর অট্টহাস্যে মুখরিত দেবদূতের প্রতারনা
তাই অনূভুতির চড়ায় জেগে ওঠে শুকনো গোলাপ গাছ

ঘুমালেই ক্লান্তি কেটে যাবে
বিঞ্জাপনই মিথ্যা বলতে পারে
তাই বেহিষাবী রাত্রিতে পেগ মাপার কোন প্রয়োজন নেই

ইঁদুর দৌড়ে কেউ জেতে কেউ হারে
হেরোরা কবিতা লেখে
সেই মানেটা বুঝতে পারলে তুমি পাগল না হলে কবি।

Saturday, June 19, 2010

পাগলের গান


পাগলের গান

পাগলের গান

রাতের দুঃখ আকাশে মিশে যায়
অতল গভীর কালো ঠিকানায়,
আমি ভাবছি তাই তুমি শুনছ গান;
আর ফোনটা কাদছে নিঃসঙ্গতায়।
তুমি খেলছ আমি জানি,
তবু হারতে চাই না আমি;
তবু কোথাও আমার নিঃসঙ্গতা,
হারিয়ে ফেলেছে নিরাপত্তা।
তাই আমি আছি কোন অজানা স্থানে,
মৃত্যু উপত্যকার নদীর খাতে,
তুমি চাইলে সেখানে আসতে পার,
হারিয়ে যাওয়া অবিশ্বাষ নিয়ে।
কোন দ্বন্দ কি তুমি বুঝতে পার,
তাই কি মনের গভীরতায় গাও ?
মাতাল হওয়ার আর্শীবাদ,
হারিয়ে ফেলার অভিশাপ,
তুমি শুনতে কি পাও সেই পাগলের ডাক?
তবু কোথাও এই কালো হাতে জীবনের অভিশাপে,
হারিয়ে ফেলেছি তোমার ঠিকানা।
হারিয়ে যাওয়ার চিহ্ন ফেলে আজ কি লাভ?
প্রশ্ন গুলো বড় সত্যি,
তবে তাতে বড় মিথ্যের ছাপ।
শেষ করলেই ভাল লাগে,
কিন্তু অসমাপ্তই যে পিছু টানে,
তাই হার মেনে শেষ করি,
বারবার। 

Wednesday, May 19, 2010

অচলায়তন লাল সেলাম

যদি আমি লিখি ভরসা আছে
থাকবে অচলায়তন
কিছু না থাকুক, অন্তত থাকুক সোজা
উলটো পাইপের নল

ব্রীজ হোক আর সেতুই হোক, হোক না ধান ক্ষেত
বন্দুকের গুলি না চললে ভরবে না যে
রক্ত-ভাতে মায়ের পেট

আমি লিখি তাই আছে বিশাষ
পুলিশ আজো অচলায়তেনর দাস
সুন্দরবনে মরুক পচে উদবাস্তুদের লাশ

না হয় আমরা দালালি করব
মার্ক্সের নামাবলী গায়ে
অচলায়তন তবু বেচে থাক
চৈনিক সংসোধনের নামে

বিষ খায় ওরা, টাকা পায় ওরা , ওরা সিয়ার চর
ওরা মুর্খ, ওরা পাবলিক
দালালি করব, খুন করব
মানছে না যে আর

শত্রুকে দিলি মন্ত্রী করে
ওরে এত সাহষ তোদের
নানুর মঙ্গলকোট ঘরে ঘরে হবে
এই আশা রাখি মনে

অচলায়তনে লেগেছে ফাটল
এত প্রকল্প থাকে?
তুমি কেন সূচ একটা প্রশ্নই
জিগাবো বারে বারে

আমি লিখি তাই শুনতে পাও
লুলাবাই আছে যত
প্রতিদান চায় অচলায়তন
আমি তো নিমিত্ত মাত্র

Sunday, April 18, 2010

এস.এম.এস

এস.এম.এস

জানো একদিন আমি চলে যাব
তবু আমাকে চিঠি লিখ না
আকাশের সেই ঠিকানায় আমায়
নাও পেতে পার

পরিস্থিতি বড় বিষময়
সময়টা বড় অস্থির
তবু পাখির ডাকে শুনতে পাবে
রঙ্গিন স্বপ্ন দেখার স্বপ্ন

তবু আমাকে দেখতে এসো না
অস্তমিত সূর্যের শেষ আলোয়
টেলিফোনহীন একলা ঘরে

মাঝরাতে দুঃস্বপ্নের বুক চিরে
তবু যদি মনে পরে আমার কথা
এস.এম.এস করো

“যাব আমি কাছাকাছি
আর আসবে তুমি জানি
সময় আমার বড় কঠিন গো
তাই কান্নাগুলো ধরে রেখ গো”

Monday, April 12, 2010

Ultimate ইচ্ছে


Ultimate ইচ্ছে

এই মেয়েটা ইচ্ছে করে
কেন বারবার মিথ্যে বলিস?
তোকে তো ছেড়েদিয়েছিলাম
তবুও কেন খাঁচায় আটকে ছিলিস?
শেষ রাতে একফালি চাঁদ
ওঠার কি খুব দরকার ছিল?
তোকে তো আমি বলেছিলাম
সেই ভাল আর বাসতে পারব না আর
তবুও কেন জোড় করে ছিলি আমার কাছে?

এই মেয়েটা ইচ্ছে করে
কেন বারবার হারিয়ে যাস?
তুই তো জানতিস না আছে আমার
স্বপ্ন দেখার ক্ষমতা, আর না আছে আমার
আকাশ জেতার বাসনা।
তবুও কেন আটকে ছিলি
আমার কালো মেঘের অর্ধেক আকাশে?

এই মেয়েটা আর একবার ইচ্ছে করে
মিলিয়ে যা না তুই
ফিরলেই আমায় দেখতে পাবি,
নিজের হাতে সাজিয়ে দিস
যে ভাবে চাস
ঠিক যেমন করে পাখিরা সাজায়
ট্রেনে কাটা লাশ।

(আমার এক গিটারিস্ট বন্ধু হঠাৎ হারিয়ে যায়, কদিন পরে শুনতে পাই ওর ডেডবডিটা কোন এক স্টেশনের পাশে রেললাইন থেকে পাওয়া গেছে।কারন নাকি প্রেলে ব্যার্থতা, ল্যাং খাওয়া ইত্যাদি ইত্যাদি সেই পুরানো গল্প। না আমি দেখতে যেতে পারিনি , মানে রাগে ইচ্ছে করে যায়নি লাশ কাটা ঘর থেকে ওকে আনতে, আমার খুব ভাল বন্ধু ছিল। কবিতাটা ওর জন্য।)

Monday, April 5, 2010

আমি, সে আর অর্কুট চ্যাট – গান ভার্সান


আমি, সে আর অর্কুট চ্যাট – গান ভার্সান

হয়ত ভীষন ঝরে একটুকরো আশ্রয়
আমার নেই তাই কান্না গিলে নিই
অন্তরমুখিতা তো অভিশাপ নয়
কিন্তু এই জীবন তো অভিশপ্তই

এমন কিছু কথা যার উত্তর নেই আজ
প্রিয় মানুষেরো ভিতরে কি বন্ধু থাকে?
যার কোলে মাথা রেখে পাওয়া যায়
সেক্স নয় একটু সহানুভুতি

সব মানুষ কি মনে করে তাদের জীবনটা অভিশপ্ত?
বেচে থাকার রসদগুলো কেউ পায় কি?
টুকরো টুকরো কান্না থেকে কবিতা লেখা যায়
কিন্তু জীবনের গাইতে পারো কি?

কেউ ঘৃণা টাকে ভালবাসার নাম দিস।

হাতছানি দেওয়া জেলখানা
আর শৈশবের পাগলাগারদ
আমার কান্না গুলো গলিয়ে দেয়
অশহ্য শীতলতার পারদ

এমন কিছু কথা যার প্রশ্ন নেই আজ
প্রিয় মানুষেরো ভিতরে কি শত্রু থাকে?
যার কোলে মাথা রেখে পাওয়া যায়
জিঘাংসা নয় একটু ভালবাসা

কেউ ঘৃণা টাকে ভালবাসার নাম দিস।